সেপ্টেম্বর 5, 2020

প্রথমে গত সপ্তাহের ঘটনাবলির পর্যালোচনা :

  • ইউরো/মার্কিন ডলার। বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এখনও জ্যাকসন হোল-এ সিম্পোসিয়ামে ইউএস ফেডারেল রিজার্ভের প্রধান জেরোম পাওয়েলের বিবৃতি সবচেয়ে আলোচনার বিষয়। ফেড স্থির করেছে 2012 থেকে শুরু আর্থিক নীতিতে সবচেয়ে গুরুতর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, ঘোষণা করেছে এর পরিকল্পনা ‘মুদ্রাস্ফীতির গড় হার 2 শতাংশ’ লক্ষ্য। এর অর্থ যে মুদ্রাস্ফীতির হার এই দুই শতাংশ অতিক্রম করলেও নিয়ামক এর আর্থিক নীতি দৃঢ় করবে না।
    তাঁর বক্তৃতায় পাওয়েল ডলারে আরেকটি আঘাত নিয়ে কথা বলেছেন, যা মার্চ 2020 থেকে আরেকটা পজিশন সমপর্ণ করেছে। অতিমারির সময় ফেডারেল রিজার্ভ দ্বারা প্রবর্তিত প্রিন্টিং প্রেস এবং সুদের হার হ্রাস এই সত্যে নিয়ে যায় যে 1.0635 শুরু করে ইউরো/মার্কিন ডলার জোড়া গত সপ্তাহে 1.2000 -এর উপরে গিয়েছিল। এই সময়পর্বে, মার্কিন কারেন্সির বিপরীতে ইউরো ছিল 13 শতাংশ, যা ইউরোপিয়ান অর্থনীতির জন্য মোটামুটি যথেষ্ট।
    2015-16 সালে, তখনকার ইসিবি প্রধান মারিও ড্রাঘি নেতিবাচক সুদের হার নীতি প্রবর্তন করেছিলেন। তার ফলে এটা সম্ভব একক ইউরোপিয়ান কারেন্সির কোট নিম্নতর করার 1.0500 পর্যন্ত, যার অর্থ, ডলারের প্রায় সমান। দুর্বল ইউরো ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে উচ্চতর মুদ্রাস্ফীতি ও আর্থিক বিকাশ জুগিয়েছে দুর্বল ইউরো, ইউরোজোনের রপ্তানি সম্ভাবনা শক্তিশালী করেছে, বিদেশি উপভোক্তাদের জন্য পণ্য করেছে অনেক সস্তা। যদিও, 2018-তে, ইউরো ফের উঠেছিল, প্রায় 1.2000 পর্যন্ত। তারপর, কঠিন পরিস্থিতিতে, এটা ফের নেমে আসে। এবং আমরা ফের 1.2000 দেখছি।
    এটা পরিষ্কার যে প্রবণতা দক্ষিণমুখী করতে, ইউরোপিয়ান নিয়ামককে খুব আগ্রাসী আর্থিক নীতি প্রয়োগ করতে হবে। এই সপ্তাহে ইসিবি-র প্রধান অর্থনীতিবিদ ফিলিপ লেন ইউরোজোনের আর্থিক স্বাস্থ্যের জন্য বিনিময় হারের গুরুত্ব ঘোষণা করেছেন। তাঁর মন্তব্য ডলারকে সামান্য শক্তিশালী হতে দিয়েছে। যদিও আমরা আশা করতে পারি পরের সপ্তাহের মূল ঘটনা হল বৃহস্পতিবার, 10 সেপ্টেম্বর, যখন ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের পরের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এবিষয়ে আরও রয়েছে প্রবন্ধের দ্বিতীয় অংশে।
    এবং এখন গত সপ্তাহের জন্য বিশেষজ্ঞের প্রদত্ত অনুমান। তাঁদের 60 শতাংশ অনুভব করেছিলেন যে ইউরো/মার্কিন ডলার জোড়া 1.1700-1.1910 মূল্য পরিধিতে থাকবে। বাকি 40 শতাংশের মত ছিল, চ্যানেলের উপরের সীমানা অতিক্রম করবে এবং জোড়াটির বৃদ্ধি হবে প্রতীকী স্তর 1.2000-তে। আপনি যদি চার্টের দিকে তাকান, এটা পরিষ্কার যে উভয়েই ছিল সঠিক : জোড়াটি সত্যিই 1.2000 উচ্চতায় পৌঁছেছিল। যদিও এটা সেখানে বেশিক্ষণ থাকেনি এবং দ্রুত 1.1780 দিগন্তে নেমে যায়। পাঁচ-দিনের পর্বে শেষটা ছিল 1.1840। তার মানে, জোড়াটি মসৃণভাবে আরোহণ করেছিল প্রায় 200 পয়েন্ট বিস্তৃতিতে ইতিমধ্যে পাঁচ সপ্তাহ ধরে, যা আমাদের বলতে দেয় যে ডলারের পক্ষে চূড়ান্ত প্রবণতার ঘটনা এখনও হয়নি।
  • জিবিপি/মার্কিন ডলার। সাধারণত ইউরো/মার্কিন ডলার চার্টকে অনুসরণ করে সাপ্তাহিক চার্ট। ব্যবধান হল যে যদি ইউরোপিয়ান কারেন্সি শেষপর্যন্ত ফিরে আসে মাঝারি-মেয়াদের চ্যানেলের আরোহণের কেন্দ্রীয় অংশে, পাউন্ড এটা করেনি, এবং সপ্তাহ শেষ করেছিল এর উপরের সীমানায় – প্রায় 1.3275-এ। যদিও বুল 2019-এর উচ্চতা 1.3515 আপডেট করতে পারেনি। তাদের ঊর্ধ্বমুখী গতি থেমেছিল 1.3482-এ।
  • মার্কিন ডলার /জেপিওয়াই।  বাজার এখনও ম্যাক্রোইকোনমিক ইন্ডিকেটরের পরিবর্তে শাসিত হচ্ছে রিস্ক সেন্টিমেন্ট দ্বারা। অনেক বিনিয়োগকারীর প্রত্যাশা ছিল যে শুক্রবার, 4 সেপ্টেম্বর ইউএস শ্রম বাজারের তথ্যের প্রকাশ মার্কিন ডলার /জেপিওয়াই জোড়ার ডায়নামিক্সে প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও অসাধারণ কিছুই ঘটেনি : প্রথমে 30 পয়েন্টের সামান্য বৃদ্ধি এবং তারপর এর মূল অবস্থান ফেরত।
    বিশ্লেষকের অধিকাংশ (65 শতাংশ) অনুমান করেছিলেন যে ডলারের শক্তিবৃদ্ধি এবং জোড়াটি 105.10-107.00 করিডোর ছাড়বে না। ঠিক এটাই ঘটেছে। সোমবার থেকে শুরু করে ডলার উর্ধ্বমুখী ছিল, বৃহস্পতিবার পৌঁছেছিল 106.55-এ এবং বৃদ্ধি ছিল 120 পয়েন্ট। ট্রেডিং সেশনের শেষে, জোড়াটি এটা সমাপ্ত করেছিল 106.22 স্তর।
  • ক্রিপ্টোকারেন্সি। এই গ্রহের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ওয়ারেন বুফে জাপানি কোম্পানগুলিতে 6 বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছেন। এই পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রখ্যাত ক্রিপ্টো উৎসাহী ও টিভি প্রেজেন্টার ম্যাক্স কাইজার বলেছেন যে এভাবে বুফে ডলারকে নিয়ে যাচ্ছেন, যার ক্ষয়ের ফলে বিকল্প সম্পদ যেমন সোনার কোটেশনে বিটকয়েনের দ্রুত উত্থান ঘটবে।
    হয়তো কাইজারের মন্তব্যে কিছু যুক্তি আছে, যদিও বিপরীতদিকে সোনার মূল্য হ্রাস হয়েছে 7 শতাংশ এবং বিটকয়েন গত মাসে 12000 ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করতে পারেনি, 7 আগস্ট থেকে।
    আমাদের বিশ্লেষকরা অনুমান করেছিলেন যে বিটিসি মার্কিন ডলার জোড়া যাবে পিভট পয়েন্ট 11000 ডলারের সঙ্গে এককালীন নির্গমণ 9500 ডলার দক্ষিণে ও 12800 ডলার উত্তরে। সেটা এই পরিস্থিতিতে সত্যি হতে শুরু করেছে। সপ্তাহের প্রথমে, বুল আরেকটি বিপর্যস্ত পরিস্থিতিতে গিয়েছিল, কিন্তু গিয়েছিল 12500 ডলার উচ্চতায়। মাইনাররা, যারা আরও বৃদ্ধির অনুমান করেছিলেন, তাঁদের ওয়ালেটে রেকর্ড পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি রেখে দেন, যার মূল্য 20 বিলিয়ন ডলারেরও বেশি (1.82 মিলিয়ন বিটিসি), এটা বিক্রি শুরু করেছিলেন। তাঁদের ওয়ালেট থেকে বিটকয়েনের প্রবাহ, ক্রিপ্টোকোয়ান্টের মতে, বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার এই দিনে পরিমাণ ছিল 1500 বিটিসি-র বেশি। অবশ্যই, এটা খুব বেশি নয়, কিন্তু যেভাবে এটা হয়েছে, এটা বিয়ারের জন্য পর্যাপ্ত যাতে বাজারের পুরো দখল নিতে পেরেছিল। এর ফলে, প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রায় 17 শতাংশ মূল্য হারায়, শুক্রবার, 4 সেপ্টেম্বরে পৌঁছেছিল 10000 ডলারে। ম্যাক্স কাইজারের অনুমানের বিপরীতে ডলার বৃদ্ধি পেয়েছিল, পাশাপাশি বিপর্যয়ে প্রভাবও ফেলেছিল।
    ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের মোট ক্যাপিটালাইজেশন 360 বিলিয়ন ডলার থেকে হ্রাস পেয়েছে 334 বিলিয়ন ডলারে সাত দিনে। এর উপরে, এটা 2 আগস্ট শীর্ষবিন্দু 393 বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল, যার অর্থ মাত্র দুদিনে 15 শতাংশ পতন। বিটকয়েন ফিয়ার অ্যান্ড গ্রিড ইনডেক্স নেমেছ 74 পয়েন্ট থেকে 40-এ, এবং আরএসআই-এর মতো এটা এসেছিল অতিরিক্র ক্রীত অঞ্চল থেকে।
    বাজারে প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রাধান্য ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। বছরের শুরুতে এর ক্যাপিটালাইজেশন ছিল প্রায় 70 শতাংশ, এখন এটা নেমে এসেছে 58 শতাংশে। কিন্তু বিপরীত দিকে ইথেরিয়ামের শেয়ার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, 7.29 শতাংশ থেকে উঠেছে 12.9 শতাংশে। ইথেরিয়াম মাইনাররা 1 সেপ্টেম্বরে উপার্জন করেছেন রেকর্ড পরিমাণ 17 মিলিয়ন ডলার, এই প্রজেক্টের ব্লকচেইনের উচ্চ চাহিদার কারণে। মনে রাখতে হবে যে ইথেরিয়ামের উদ্ভাবক ভিটালিক বুটেরিন এবছর অন্যান্য ক্রিপ্টো পরিষেবার অপারেশনের ভিত্তিতে তাঁর ব্লকচেইন ঘোষণা করেছিলেন, যা এই অল্টকয়েনে সুদ বৃ্দ্ধি করেছিল। যদিও, গত সপ্তাহের শেষে ঘটনায় ফিরে এসে, এটা মনে রাখতে হবে যে যদি বিটিসি/মার্কিন ডলার জোড়া ‘মাত্র’ 17 শতাংশ কমেছে তাহলে ইথেরিয়াম/মার্কিন ডলার এর শীর্ষে 27 শতাংশ অতিক্রম করেছিল।

 

আগামী সপ্তাহের অনুমানের ক্ষেত্রে, বেশকিছু সংখ্যক বিশেষজ্ঞের মতামতের সংক্ষেপের পাশাপাশি টেকনিক্যাল ও গ্রাফিক্যাল বিশ্লেষণের বিভিন্ন পদ্ধতির ভিত্তিতে আমরা বলতে পারি :

  • ইউরো/মার্কিন ডলার। যেমন উপরে বলা হয়েছে, আর্থিক ও ফিসকাল নীতিতে ফেডের সঙ্গে প্রায় যুদ্ধ শুরুর দরকার পড়বে ইসিবি-র জোড়াটিকে নামানোর জন্য। এর ফলাফল নির্ভর করেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের যৌথ অপারেশনে যাওয়ার জন্য কতদূর প্রস্তুত।
    বৃহস্পতিবার, 10 সেপ্টেম্বর ইসিবি-র আসন্ন বৈঠক এবং তারপর এর প্রধান ক্রিস্টিন লাগার্ডের সাংবাদিক সম্মেলন বাজারকে একটা ধারণা দিতে পারে যে এই যুদ্ধে ইউরোপিয়ান নিয়ামক কী ব্যবহারের জন্য তৈরি। ব্লুমবার্গের বিশ্লেষকদের বিশ্বাস যে ইসিবি 2020-এর মধ্যে জরুরি সম্পদ কেনার কর্মসূচি বৃদ্ধি করতে পারে 350 বিলিয়ন পাউন্ডে, এবং অন্যান্য কর্মসূচির পরিমাণ হতে পারে আরও 220 বিলিয়ন পাউন্ড। ইউরোপিয়ান কোয়ান্টিটিভ ইজিং (কিউই)-এর এরকম প্রসারণ, বিশেষজ্ঞদের মতে, ওল্ড ওয়ার্ল্ড-এর (পূর্ণ দাবিহীন মানি যেমন আছে) ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কোনো সুবিধে দেবে না, কিন্ত ইউরোকে দুর্বল করতে সক্ষম হবে। আন্তঃব্যাংক ঋণের খরচ যত কম হবে, সাধারণ ইউরোপিয়ান কারেন্সির ওপর ততই চাপ বাড়বে।
    যদিও, এটা নিশ্চিত নয় যে এই কারেন্সি যুদ্ধে ইউরোপের দিকে জয় আসবে। বেশকিছু রয়টার বিশ্লেষকদের মতে, যদি ফেড সুদের হার শূন্যের কাছাকাছি রেখে চলে, এবং ইউরোজোন অর্থনীতির পুনরুদ্ধার মার্কিন অর্থনীতির পুনরুদ্ধারকে অতিক্রম করবে, ইউরো/মার্কিন ডলার হার যাবে 1.2100-এ।
    এদিকে, বিশ্লেষকদের আলোচনার ক্ষমতা ভারসাম্য নিম্নরূপ : তাঁদের 50 শতাংশের আশা যে জোড়াটি এরপরও 1.1700 অঞ্চলের সাপোর্ট অতিক্রম করবে এবং নেমে যাবে অন্তত 10 পয়েন্ট নীচে। আরও 30 শতাংশ বিশ্লেষকের বিশ্বাস, এটা যাবে 1.1700-1.2010 ট্রেডিং রেঞ্জে। এবং চূড়ান্তভাবে, বাকি 20 শতাংশ, D1 গ্রাফিক্যাল অ্যানালিস্ট দ্বারা সমর্থিত, আশা করছে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি জোড়াটি ঝড়ের মতো পৌঁছবে 1.2100 উচ্চতায়।

  • জিবিপি/মার্কিন ডলার। পশ্চিম ও পূর্বের প্রতিবেশীর মতো – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন – যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির অন্যতম নির্ধারক উপাদান হল কোভিড-19 সংকট পরিস্থিতি অতিক্রম করা, এবং এজন্য যেসব পন্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এক্সচেকারের নতুন চ্যান্সেলর ঋষি সুনাম, যদি এবছরই কার্যভার গ্রহণ করেছেন, তাঁর পরিকল্পনা সেপ্টেম্বেরই একগুচ্ছ স্টিমুলাস পন্থা গ্রহণ করবেন, যেমন রেস্তোরাঁয় ভর্তুকি। যদিও, খুব সম্ভবত, ব্রিটিশ কারেন্সি কোটে এর কোনো শক্তিশালী প্রভাব পড়বে না। উপরন্তু, এখনকার জন্য অন্যান্য কিউই কর্মসূচির পরিকল্পনায় লেগে থাকতে চায় সরকার।
    31 অক্টোবরে বেতনহীন ছুটিতে কর্মীদের ধরে রাখার কর্মসূচিতে কাটছাঁট বাজারের জন্য আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হল ইইউ ব্রেক্সিট সামিট। তবে এটাও অনুষ্ঠিত হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি, এবং ততদিনে অনেক কিছু বদলাতে পারে।
    বিশেষজ্ঞদের অধিকাংশের (60 শতাংশ)বিশ্বাস যে পাউন্ড ইতিমধ্যে উত্তরে চলে গেছে, এবং জোড়াটি দক্ষিণে মোড় নেওয়ার অপেক্ষায় আছে। এবং যখন সাপ্তাহিক থেকে মাসিক অনুমানে যাওয়া হয়, বিয়ার্সের সমর্থক সংখ্যা 70 শতাংশে বৃদ্ধি পায়। নিকটতম শক্তিশালী সাপোর্ট হল 1.3000 অঞ্চল।
    H4-এ টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটরদের লাল-ধূসর-সবুজ বিভিন্ন রং আছে, যেমন ইউরো/মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে। যদিও, D1-এ সবুজের নজরে পড়ার মতো সুবিধা আছে : এখানে অসিলটেরদের মধ্যে 55 শতাংশ এবং 80 শতাংশ ট্রেন্ড ইন্ডিকেটর রয়েছে।
    গ্রাফিক্যাল অ্যানালিস্টদের জন্য, এটা প্রথমে দেখায় জোড়াটির 1.3065-1.3385 করিডোরে আনুভূমিক গতিবিধি, তারপর এর পতন হবে 1.2900 অঞ্চলে এবং ফিরে আসবে 1.3275 স্তরে। এসবই ঘটতে পারে পরবর্তী 14 দিনে। জোড়াটির পরের লক্ষ্য হল 1.3480 এবং 2019-এর উচ্চতা 1.3515-তে।
  • মার্কিন ডলার/জেপিওয়াই। আপনি যদি চার্টের দিকে তাকান, আপনি দেখতে পাবেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দশদিন থেকে শুরু হয়েছে, জোড়াটি ক্রমশ 106.00-এর আশেপাশে জমাট বাঁধছে। বিশেষজ্ঞরা কোনো গুরুতর কারণ দেখছেন না এই মুহূর্তে এটার 105.10-107.00-এর ট্রেডিং রেঞ্জের উপরে যাওয়ার। যদিও, মাসিক অনুমানে সুইচ করার সময়, 65 শতাংশ বিশ্লেষক বিয়ার্সের পক্ষে থাকতে চান। এবং যদি তাঁদের ভবিষ্যদ্বাণী সঠিক হয়, জোড়াটি 31 জুলাইয়ের নিম্নস্তর 104.18-এ নামতে পারে। চ্যানেলের উপরের সীমানা অতিক্রমের ক্ষেত্রে, নিকটতম রেজিস্ট্যান্স হবে 107.50 স্তর, পরেরটা 108.15।
  • ক্রিপ্টোকারেন্সি।  ইউএস ফেডারেল রিজার্ভের ক্রিয়াকলাপের ফলাফল এত গুরুতর যে এমনকি ভিসা-র মতো পেটেমেন্ট জায়েন্টের লিডাররাও বিটকয়েন নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছে। আগস্টের শেষে, ফেডের প্রধান জেরোম পাওয়েলের তাঁর বিভাগের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিবৃতির পর, ডিএক্সওয়াই ডলার সূচকের পতন ঘটেছে নিম্ন স্তর 92.14-এ। এর পরিপ্রেক্ষিতে  ভিসা-র পাবলিক পলিসি ডিরেক্টর অ্যান্ডি ই টুইট করেছেন, ‘জেরোম পাওয়েলের আজকের বক্তব্য ইতিহাস বইতে স্থান পাবে। এই প্রথম আমি দেখছি এত ছোট্ট একটা গ্রুপ এত বেশি মানুষের থেকে চুরি করেছে। বিটকয়েনে নিজেকে রক্ষা করুন।’
    যদিও মনে হচ্ছে বাজার এখন শ্রী ই-র আহ্বানে সাড়া দিতে তৈরি নয়। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ (60 শতাংশ) বিশ্বাস করেন যে নিকট ভবিষ্যতে বিটকয়েন এর মূল্য 10000 ডলারে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। এবং সবার প্রথমে, এটা বিনিয়োগকারীদের ফের ডলারে বিনিয়োগের ইচ্ছার সঙ্গে জড়িত হবে।
    যদি বিটকয়েন 10000 ডলারের বাধা অতিক্রম করতে পারে, তাহলে কয়েকমাস ধরে পুলব্যাক থাকবে মনে করেন আর্থিক সংস্থা ক্রিপ্টেরিয়ামের বিশ্লেষকরা। নিয়ম অনুযায়ী, শরতের প্রথমে প্রধান কয়েন অনিশ্চিত হয়ে ওঠে, কিন্তু ব্রেকডাউন নতুন দীর্ঘ-স্তরের মিছিল করার সুযোগ দেয় নিউ ইয়ার-এর কাছাকাছি।
    পরের সপ্তাহের জন্য প্রধান অনুমান প্রায় একই, 500 পয়েন্টে নিম্নমুখী পরিমার্জন : বিটিসি/মার্কিন ডলার জোড়া যাবে পিভট পয়েন্ট 10500 ডলারের সঙ্গে যার একক নির্গমণ হবে 9000 ডলার দক্ষিণ পর্যন্ত এবং 12300 ডলার উত্তর পর্যন্ত।

 

নর্ডএফএক্স অ্যানালিটিক্যাল গ্রুপ

 

বিজ্ঞপ্তি : এসব তথ্য আর্থিক বাজারে কাজের জন্য বিনিয়োগ বা পরামর্শ হিসেবে কোনো সুপারিশ নয় : এগুলি একমাত্র তথ্যমূলক উদ্দেশ্যে। আর্থিক বাজারে ট্রেডিং খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং এর ফলে ডিপোজিটকৃত ফান্ডের পরিপূর্ণ ক্ষতি হতে পারে।


« বাজার বিশ্লেষণ ও সংবাদ
প্রশিক্ষণ
গ্রহণ করুন
মার্কেটে নতুন? ব্যবহার করুন “শুরু করা যাক” বিভাগটি।
প্রশিক্ষণ শুরু করুন
আমাদের অনুসরণ করুন (সামাজিক নেটওয়ার্কগুলিতে)