অক্টোবর 19, 2019

প্রথমে, গত সপ্তাহের ঘটনাগুলোর একটা পর্যালোচনা:

  • EUR/USD। নিঃসন্দেহেই, গত সপ্তাহের মূল বিষয় ছিল Brexit। নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ব্রাসেলসের সাথে একটি সমঝোতায় উপণীত হতে সমর্থ হয়েছেন, এবং গত 17ই অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্মেলন ব্রিটেনের EU থেকে বেরিয়ে যাবার শর্তাবলী উপর তৈরি একটি চুক্তিকে ও 01লা নভেম্বরকে তার তারিখ হিসেবে অনুমোদন করেছে। এই ঘটনাটি, সেই সঙ্গে ইউরোপ, এশিয়া ও আমেরিকায় রাজনৈতিক ও বাণিজ্যের ঝুঁকি হ্রাস পাওয়ার ঘটনাও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বল পরিসংখ্যানের দ্বারা “পরিপক্ক হয়ে”, ঊর্ধ্বগতির (বুল) জন্য রাস্তা খুলে দেয়।
    বিপুল সংখ্যক (70%) বিশেষজ্ঞ প্রধান লক্ষ্য হিসেবে 1.1160-কে সূচিত করে, আর সেই পূর্বাভাস একেবারে সঠিক প্রতিপন্ন হয়: শুক্রবার সন্ধ্যায় এই জুটি সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে সমর্থ হয় যেখানে তারা তাদের সপ্তাহ-ব্যাপী পর্বটা শেষ করে;
  • GBP/USD। 08ই অক্টোবর থেকে, ব্রিটিশ মুদ্রা প্রায় 800 পয়েন্ট বা প্রায় 6% বেড়েছে। আর এই সবকিছুর জন্য “তথাকথিত Brexit”-এর আশু সফল সমাপ্তিকেই ধন্যবাদ দিতে হবে, যা প্রায় 3.5 বছর ধরে চলছিল এবং এর সঙ্গে যুক্ত সকলেই বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। বৃহস্পতিবার, 17ই অক্টোবর, প্রত্যাশার একেবারে চূড়ায় পৌঁছে গিয়ে, পাউন্ডকে 1.2990-এ লক্ষ্য করা গেছিল, তারপর একটা সংশোধন আসে, এবং পাউন্ড 1.2940-এ এসে শেষ করে;
  • USD/JPY। মনে করে দেখুন, গত সপ্তাহে ইয়েন নিয়ে করা বিশেষজ্ঞদের মতামতগুলি সমানভাবে বিভক্ত ছিল: এক-তৃতীয়াংশ এই জুটির বৃদ্ধির পক্ষে ভোট দেয়, অপর এক-তৃতীয়াংশ দেয় এর পতনের পক্ষে এবং বাকি এক-তৃতীয়াংশ দিয়েছিল এর পার্শ্বমুখী গতির প্রবণতার পক্ষে।  আর তারা সকলেই সঠিক ছিল। প্রথম দিকে, এই জুটির 108.02-র স্তরে সামাান্য পতন ঘটে। তারপর এটি একটু উঠেছিল, 108.90-র স্তর অবধি, আর তারপর পার্শ্বমুখী গতি ধরে নেয় এবং মোটামুটি সেখানে গিয়ে শেষ করে যেখান এটি এক সপ্তাহ আগে ছিল, 108.40-108.45-এর পিভোট পয়েন্ট অঞ্চলে;
  • ক্রিপ্টোকারেন্সি। ট্যুইটার ব্যবহারকারীরা হিসেব করে দেখেছেন যে, প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম গত দশ বছরে 838.078.685% বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু মনে হচ্ছে যে, ওই ধরনের উড়ানের জন্য আর অপেক্ষা করার কোন মানে হয় না। খুব বেশি দিন আগে নয়, বিটকয়েনকে ফেসবুকের লিব্রা এবং টেলিগ্রামের টন (TON)-এর মতো প্রকল্পগুলি চালু হওয়ার খবরগুলি টেনে তুলেছিল। (যদিও কেন তা খুব একটা স্পষ্ট নয়। হাজার হলেও, এই দুটি মুদ্রা যদি আত্মপ্রকাশ করে, তাহলে তারা বিটকয়েনের জন্য শক্তিশালী প্রতিপক্ষই তো হয়ে উঠবে)। কিন্তু একাধিক সরকার ও নিয়ামক সংস্থাগুলি ফেসবুকের এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায় এবং মার্কিন আইনে কিছু সমস্যা থাকার কারণ টেলিগ্রাম তার TON চালুর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্থগিত করে দেয়। এইভাবে, এই দুটি উদ্যোগই, পুরোপুরি হারিয়ে না গেলেও, অন্তত চূড়ান্ত রকমের দুর্বল হয়ে পড়ে। আর সেটা ক্রিপ্টো-বাজারে প্রভাব না ফেলে পারতই না। গত দশ বছর ধরে, এর মূলধন $236 বিলিয়ন থেকে হ্রাস পেয়ে $224 বিলিয়নে এসে পৌঁছেছে, এবং বিটকয়েনের দাম, যেমনটি বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞই প্রত্যাশা করেছিলেন, পার্শ্ববর্তী অলিন্দের নিম্নস্তর $7,795-8,700-এ নেমে এসেছে।
    ইথিরিয়াম (ETH/USD) এবং লিটকয়েন (LTC/USD) প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সির উত্থানে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দক্ষিণের পথ অনুসরণ করে। কিন্তু রিপল (XRP/USD)-এর ক্ষেত্রে, এটি গত চার সপ্তাহ ধরে একটা নাছোড় চরিত্র প্রদর্শন করে আসছে। এইবার, এই মুদ্রার দাম 40% উঠেছে, 0.03 অঞ্চলের একটি শক্তিশালী মধ্য-মেয়াদি অবলম্বন/প্রতিরোধের স্তরে ফিরে গিয়ে। খুব সম্ভবত, এই উত্থানের কারণ একাধিক ইতিবাটক খবর যা সরাসরি কোম্পানির সঙ্গেই সম্পর্কযুক্ত।।

 

আগামি সপ্তাহের পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে, একাধিক বিশ্লেষকদের মতামতগুলোকে, ও সেই সঙ্গে প্রযুক্তিগত ও গ্রাফিক্সভিত্তিক বিশ্লেষণের বহুবিধ পদ্ধতির ভিত্তিতে করা পূর্বাভাসগুলোকে একত্রিত করে, আমরা নিম্নোক্ত কথাগুলো বলতে পারি:

  • GBP/USD। এই জুটিকে আমরা ইউরো/ডলার জুটির থেকে এগিয়ে রাখব কারণ আগামি সপ্তাহে পাউন্ডের সাথে যা যা হবে তা অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় মুদ্রাগুলির দামে একটা শক্তিশালী প্রভাব ফেলবে।
    বস্তুত, Brexit-এর এই নতুন চুক্তির ভাষা মূলগতভাবে সেই পুরনো চুক্তিরই মতো যেটাকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট তিন-তিনবার পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। আর এইবার, আগামি 19শে অক্টোবর, শনিবার, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তা করার চেষ্টা করবেন। আর পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়া, Eu-এর সাথে করা লেনদেন সম্পন্ন হবে না।
    জনসনের চুক্তির মূল তফাৎটা হল, তথাকথিত “আইরিশ দূর্গ”-এর অনুপস্থিতি, যা জন্য ইউরোপীয় শুল্ক ইউনিয়নে Uk-এর ঝুঁকি থেকেই গেল। কিন্তু জনসন সীমান্তের এই ফাঁক পুরোপুরি বোজাতে ব্যর্থ হয়েছেন, এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডকে এখনও Eu-এর বাণিজ্যিক আইনগুলিকে মেনেই চলতে হবে। আর এর ফলে অনেকেই ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যের পতনের আশংকা করছে। উত্তর আয়ারল্যান্ডের ডেমক্র্যাটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টিও এতে খুশি নয়। DUP-এর নেতা আর্লিন ফস্টার বলেন, “এই প্রকল্পের পক্ষে ভোট দেবার আমাদের অভিপ্রায় নেই।” “এর শেষ এখনও হয়নি। এমনকি শেষের শুরুও হয়নি! »
    অতএব, 1982 সালের ফাকল্যান্ড যুদ্ধের পর এই প্রথমবার, সাংসদেরা তাদের সপ্তাহান্তের জন্য করা প্ল্যান বাতিল করবেন এবং একটি জরুরি বৈঠকে মিলিত হবেন। এই পূর্বাভাসটি যখন লেখা হচ্ছে, তখনও আমরা “মহা শনিবার” কীভাবে শেষ হবে তা জানি না। কিন্তু একটা সহজ হিসেব দেখিয়ে দেয় যে, জনসন হয়ত সামান্য কয়েক ভোট দূরেই থাকবেন এবং ভোটাভুটি ব্যর্থ হয়ে Brexit-এর পরিণাম সংক্রান্ত সেই পুরনো অনিশ্চয়তাকেই ফিরিয়ে আনবে।
    পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে যে, আগমি সোমবার, 21শে অক্টোবর, বাজার বড়-সড় ফাঁক-সহ খুলবে। অসিলেটরগুলির প্রায় 20% ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছে ব্রিটশ মুদ্রা মাত্রাতিরিক্ত ক্রয় করা হয়েছে। আর জনসন পরাজিত হলে, আমরা নিম্নগতির (বিয়ার) একটা শক্তিশালী প্রতি-আক্রমণ দেখতে পাব এবং এই জুটি পড়ে গিয়ে অক্টোবরের প্রথম দশকের 1.2200 অঞ্চলে ফিরে আসবে। (অবলম্বনগুলি হল 1.2515, 1.2380 এবং 1.2280)। চুক্তি যদি অনুমোদিত হয়, তাহলে পাউন্ডের পক্ষে এই বছরের সর্বোচ্চ স্থান 1.3380-কে অতিক্রম করে যাবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।
    আমরা যদি সাপ্তাহিক পূর্বাভাস থেকে মধ্য-মেয়াদি পূর্বাভাসের দিকে যাই, তাহলে এটি পরিষ্কার হয়ে যায় যে, এমনকি যদি নিয়ন্ত্রিত Brexit-ও হয়, তাহলেও পাউন্ড চাপেই থাকবে। EU-এর সঙ্গে কাজ করে অভ্যস্ত হয়ে পড়া UK-র অর্থনীতি, একা হয়ে গিয়ে, নিঃসন্দেহে গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হতে শুরু করবে, যা ব্যাংক অব ইংল্যান্ড-কে সূদের হার কমাতে এবং আর্থিক নীতিতে বেশ কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করবে।   এই রকম একটা পরিস্থিতিতে, পাউন্ডের জন্য নিচের দিকে গড়িয়ে পড়ার এবং 1.3100-র অঞ্চলে ফিরে যাবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। 
  • EUR/USD। আগামি সপ্তাহে, 21শে অক্টোবর, সোমবার, পিপলস ব্যাংক অব চায়না-র সূদের হারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দিন রয়েছে এবং 24 অক্টোবর, বৃহস্পতিবার ECB জানা যাবে। আর সম্ভবত ইউরো-র হার যদি অপরিবর্তিত থেকে যায়, তাহলে বেইজিং বাজারকে সামান্য চমক দিতেও পারে। আগামি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হতে যাওয়া জার্মানির কারবার সংক্রান্ত ডেটাও আগ্রহের বিষয়। কিন্তু, আগেই যেটা বলা হয়েছে, এই জুটির মূল প্রবণতাটা পাউন্ডই নির্দিষ্ট করে দেবে, যা হয় ইউরো-কে টেনে তুলবে নতুবা একে একশ বা দু’শ পয়েন্ট নিচে নামিয়ে আনবে। নিম্নগতির (বিয়ার) লক্ষ্যমাত্রাগুলি হল সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের 1.0850-1.0925-এর নিম্নস্তরগুলি, আর ঊর্ধ্বগতির লক্ষ্যমাত্রাগুলি হল 1.1250-1.1350।
    এই মুহূর্তে, বিশেষজ্ঞদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ (80%) প্রত্যাশা করছেন যে, বরিস জনসন পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট আদায় করে নিতে সমর্থ হবেন, এবং মাত্র 20%-ই এই জুটির পতনের পূর্বাভাস দিচ্ছেন। মজার বিষয় হল, মধ্য-মেয়াদি পূর্বাভাসে যাবার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের একটা সুষম মতামতের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে, এবং এখানে 80% এই জুটির পতন এই বছরের শেষের মধ্যে 1.0800-1.0900-র অঞ্চলে যাবার অপেক্ষায় রয়েছে;
  • USD/JPY। ইয়েনর লক্ষ্যমাত্রাগুলি অপরিবর্তিতই থেকে গেছে। অবলম্বন অঞ্চলগুলি – 107.00, 106.65 এবং 105.70, প্রতিরোধ - 109.00 এবং 109.85। পরিবর্তন যা হয়েছে তা শুধু বিশেষজ্ঞদের মেজাজে। তাদের 60% যদি আগামি সপ্তাহে এই জুটির উন্নতির পক্ষে ভোট দেন, এবং 40% পতনের পক্ষে, তাহলে মধ্য-মেয়াদে সবটাই উল্টো যাবে: 40% বৃদ্ধির পক্ষে এবং 60% পতনের পক্ষে যাবে।
    আবার সূচকগুলির মধ্যেও কোনই ঐক্য নেই। H4-এর উপর 80% অসিলেটরের রং যদি লালা হয় এবং 20% যদি এই জুটির মাত্রাতিরিক্ত বিক্রি হয়েছে বলে সংকেত দেয়, তাহলে D1-এর উপর 80%-এর রং বদলে সবুজ হয়ে গেছে, এবং 20%-এর বিশ্বাস এই জুটির মাত্রাতিরিক্ত বিক্রি হয়েছে।
    এই অনৈক্যের ফলাফলকে D1-এর উপর গ্রাফিক্স সহযোগে করা বিশ্লেষণে একত্রিত করা হয়েছে, যেখানে প্রথমে 107.50-এর স্তর অবধি পতন এবং তারপর 109.00-র উচ্চতায় উত্থান আঁকা হয়েছে।
  • ক্রিপ্টোকারেন্সি। BTC/USD জুটি 25শে সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে প্রায় এক মাস ধরে $7,795-8,700-র অলিন্দ বরাবর $8,300-র পিভোট পয়েন্ট নিয়ে এগিয়ে চলেছে। একই ঘটনা মে মাসের মাঝামাঝি থেকে জুন মাসের মাঝামাঝি অবধি ঘটেছিল। কিন্তু তখন, আপনি যদি এলিয়ট ওয়েভ তত্ত্ব অনুসারে চলেন, সেটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইমপাল্স ওয়েভ #৩ এবং #4-এর মধ্যেকার একটা বিরাম (বা সংশোধনমূলক ওয়েভ #4) ছিল (যা W1 সময়সীমায় স্পষ্টই দৃশ্যমান)। এখন ছবিটা উল্টে গেছে এবং, ওই একই এলিয়ট অনুযায়ী, আমরা #5-কে ইতিমধ্যেই একটি নিম্নমুখী প্রবণতায় দেখতে পাচ্ছি। তাত্ত্বিকভাবে, এই জুটির একটি ঊর্ধ্বমুখী সংশোধন আমাদের প্রত্যাশা করা উচিৎ, বিশেষ করে যেহেতু H4, D1 এবং W1-এর উপর MFI সূচক নিচের দিকে, সংকট অঞ্চলে, এবং H4 ও D1-এর উপর MACD সরে যাবার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এটা দীর্ঘ সময় ধরে পরিলক্ষিত হয়েছে যে, ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রসঙ্গ এলে গ্রাফিক্স সহযোগে করা বিশ্লেষণ ও প্রয়োগগত বিশ্লেষণ প্রায়শই বিফলে যায়। এখানে খবরের প্রেক্ষাপট এবং বড়-বড় ফাটকা কারবারিদের কারসাজিই অনেক বেশি গুরুত্বের দাবি রাখে। আসল সত্যটা হল, গত চার মাসে, বিটকয়েনের দাম 40%-এর বেশি পড়ে গেছে এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির “ফিয়ার অ্যান্ড গ্রিড ইন্ডেক্স” নিরন্তর “ফিয়ার” অঞ্চলেই থেকে গেছে।
    হতাশাজনক মনোভাবকে 60% বিশেষজ্ঞ সমর্থন করেছেন যারা অলিন্দের নিচের সীমা ভেঙ্গে বেরনোর এবং BTC/USD জুটির $7,000-7,400-র অঞ্চলে পতনের প্রত্যাশা করছেন। বাকি 40% বিশ্লেষক বিটকয়েনের কোন নড়াচড়ার প্রত্যাশাই করছেন না। তাদের মতে, আগামি সপ্তাহে, উল্লিখিত ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতি 1 কয়েন $8,300-8,700-র শ্রেণিতে কেনাবেচা হবে।

 

রোমান বুটকো, NordFX

 

দ্রষ্টব্য: এই বিষয়বস্তুটিকে বিনিয়োগের সুপারিশ অথবা আর্থিক বাজারগুলিতে কাজ করার দিকনির্দেশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিৎ হবে না: এগুলির উদ্দেশ্য শুধুমাত্র তথ্য সরবরাহ করা আর্থিক বাজারগুলিতে কেনা-বেচা করা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং তা লগ্নীকৃত অর্থ হারানোর কারণ হতে পারে আর্থিক বাজারগুলিতে কেনা-বেচা করা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং তা লগ্নীকৃত অর্থ পুরোপুরি হারানোর কারণ হতে পারে


« বাজার বিশ্লেষণ ও সংবাদ
প্রশিক্ষণ
গ্রহণ করুন
মার্কেটে নতুন? ব্যবহার করুন “শুরু করা যাক” বিভাগটি।
প্রশিক্ষণ শুরু করুন
আমাদের অনুসরণ করুন (সামাজিক নেটওয়ার্কগুলিতে)